শোকে স্তব্ধ দীপের মা, গণজাগরণ মঞ্চের বিক্ষোভ

deep
আরিফ রায়হান দীপ

উইমেন চ্যাপ্টার ডেস্ক (০৩ জুলাই): হেফাজত কর্মীর হামলায় গুরুতর আহত বুয়েট শিক্ষার্থী আরিফ রায়হান দীপ (২৪) ০২ জুলাই রাত সাড়ে ৩টার দিকে মারা গেছেন।

দীর্ঘ তিনমাস রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে মৃত্যুর সাথে লড়াই করে বিদায় নেন এই মেধাবী ছাত্র।

দীপের মৃত্যুর পরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে দীপের শিক্ষাকেন্দ্র বুয়েট ও জন্মস্থান নাজিরপুর উপজেলার তারাবুনিয়া গ্রামে। দীপের মৃত্যুর খবর শুনেই মঙ্গলবার সকাল থেকেই হাজার হাজার মানুষ জড়ো হতে থাকে তার বাড়ির সামনে।

মঙ্গলবার এশার নামাজের পর জানাযার শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। হাজার হাজার লোক অংশগ্রহণ করে সেই জানাযায়।

দীপ ছিলেন নাজিরপুর উপজেলার তারাবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা আলী আজম ও স্বপ্না বেগমের ছেলে। দীপের বড় ভাই রিয়াদ মোর্শেদ রাজুও বুয়েটের ছাত্র ছিলেন।

মেধাবী সন্তানের মৃত্যুতে বিহ্বল হয়ে পড়েছে দীপের পরিবার। দ্বীপের মামা মোহাম্মদ নূরে আলম বলেন, মৃত্যুর খবরের পর দীপের মা শোকে স্তব্ধ হয়ে গেছেন। তিনি কারো সঙ্গে কথা বলছেন না।

এদিকে দীপের মৃত্যুতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে অনেকেই। শাহবাগ গণজাগরণ মঞ্চ থেকে রাত আটটার দিকে দীপের খুনির বিচারের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। মিছিলটি শাহবাগ প্রজন্ম চত্ত্বর থেকে শুরু হয়ে শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। শহীদ মিনারে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে গণজারগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার বলেন, ‘সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী জঙ্গিবাদ সংগঠন হেফাজত-জামায়াত কর্মীরা নৃশংসভাবে হামলা করে দীপকে হত্যা করেছে। অনতিবিলম্বে তাদের বিচার করে শাস্তি দিতে হবে।’

দীপের মামা নূরে আলম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দীপ মেধাবী, বিনয়ী ও ভদ্র ছিল। তার এ মৃত্যু কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না।

এ ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোতে দীপের মৃত্যুতে শোকের ছায়া মেনে আসে। সেই সাথে অনেকেই দীপের খুনির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী করেন।

শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.