কিশোরী অপহরণের পর গণধর্ষণ, ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

Rapeউইমেন চ্যাপআর (৩০ জুন): চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে কিশোরী অপহরণের পর গণধর্ষণের অভিযোগে দায়ের হওয়া একটি মামলায় পাঁচজনকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো.রেজাউল করিম এ রায় দেন।
মৃত্যুদন্ড প্রাপ্তরা হলেন, বাঁশখালী উপজেলার পূর্ব চাম্বল গ্রামের কবির আহমদের ছেলে রশিদ আহমেদ, ফজলুল কবিরের ছেলে নূরুল আবছার, রশিদ আহমদের ছেলে নাসির, আমির হামজার ছেলে কবির আহমেদ এবং মফজল আহমদের ছেলে মো.কেনু।

আসামীদের বিরুদ্ধে ১৯৯৫ সালের নারী নির্যাতন দমন বিশেষ আইনের ৬ (৩) ও ৯ (গ) ধারায় রাষ্ট্রপক্ষের আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট চন্দন তালুকদার।

প্রায় ১৬ বছর আগের এই ঘটনা সম্পর্কে আদালত সূত্র জানায়, ১৯৯৭ সালের ১১ এপ্রিল রাত দেড়টার দিকে আসামীরা তাদের একই গ্রামের এক বাড়িতে দরজা ভেঙ্গে ঢুকে মাকে ঘরের খুঁটির সাথে বেঁধে ১৬ বছরের এক মেয়েকে অপহরণ করে পাশের পাহাড়ে নিয়ে যায়। পরে তার মায়ের চিৎকারে লোকজন জড়ো হয়ে পাহাড়ে তল্লাশি করে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে এলাকাবাসী। এ সময় টর্চের আলোতে পাঁচজনকে পালিয়ে যেতে দেখে এলাকাবাসী।
এ ঘটনায় ওই কিশোরীর মা বাদি হয়ে ১৯৯৭ সালের ১২ এপ্রিল বাঁশখালী থানায় পাঁচজনকে আসামী করে মামলাটি দায়ের করেন।

পরে ১৯৯৭ সালের ২৪ আগস্ট বাঁশখালী থানা পুলিশ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে দাখিল করা অভিযোগপত্রের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৮ সালের ১০ আগস্ট আসামীদের বিরুদ্ধে ‍অভিযোগ গঠন করেন আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষে আনা সাতজন এবং আসামীপক্ষে চারজনসহ মোট ১১জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে রোববার আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। দন্ডপ্রাপ্ত সকল আসামী এখন পলাতক আছেন।

শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.