অমুসলিম নারীদের ধর্ষণ জায়েজ ও কিছু কথা

Suad Saleh Cairoউইমেন চ্যাপ্টার: মিশরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর সুয়াদ সালেহ বলেছেন–‘আল্লাহ মুসলমানদের অমুসলিম নারীদের ধর্ষণের অনুমতি দিয়েছেন; কোনো মুসলিম পুরুষ চাইলে দাসীদের সঙ্গেও যৌন সম্পর্ক করতে পারবে। এটা বৈধ। মুসলিমদের সঙ্গে শত্রুপক্ষের যুদ্ধের সময় মুসলিম পুরুষরা অমুসলিম নারীদের ধর্ষণ করতে পারবে; যুদ্ধবন্দী নারীরা মুসলিম সেনাপতিদের সম্পত্তি। সেনাপতিরা নিজেদের স্ত্রীর সঙ্গে যেভাবে যৌন সম্পর্ক করে, ঠিক একইভাবে এই বন্দী নারীদের সঙ্গেও করতে পারবে’।

আল হায়াত টেলিভিশনের সাথে দেয়া এক সাক্ষাতকারে ওই নারী অধ্যাপক এ ব্যাপারে বেশ জোরালো দাবিই করেছেন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সমালোচনা চলছে। 

এ প্রসঙ্গটি টেনে তানিয়া মোর্শেদ লিখেছেন, গত কয়েকদিন ফেইসবুকে খুব অল্প সময়ের জন্য এসেছি। তার মাঝেই দেখেছি “তাহাররুশ” নামে ধর্ষণের কথা। মধ্যপ্রাচ্যের মুসলমান পুরুষদের কাছে নারী ধর্ষণ হচ্ছে খেলা! জেনেছি, মিশরের এক অধ্যাপিকা (যিনি নারী) বলেছেন, অমুসলমান নারীদের ধর্ষণ করা জায়েজ মুসলমান পুরুষদের জন্য। না ভিডিওটি দেখিনি এখনো। তিনি কি ভুল বলেছেন কিছু? এখনো কি মডারেট মুসলমানরা বলবেন ভুল ব্যাখ্যা হচ্ছে?

দুটো বিষয়ই মাথার মধ্যে, মনের মধ্যে ঘুরছে সব সময়। পরে হয়তো লিখবো। আমার বাবা বলেছিলেন, কখনো যেন দেশে যাবার সময় মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশে যাত্রা বিরতি না নেই। মানে কখনো যেন এমন পথে যাত্রা না করি যে মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশে নামতে হয়। বেশ কিছু বৎসর আগে এক বাংলাদেশী নারী বলেছিলেন তার অভিজ্ঞতা। একা যাচ্ছিলেন। এয়ারপোর্টের এক কর্মকর্তা তাকে অহেতুক বিভিন্ন কথা বলে ভয় দেখাচ্ছিল। বুদ্ধিমত্তা ও সাহসের জন্য বিপদ থেকে বেঁচেছিলেন তিনি।

আরেক নারী (হিজাবী, গায়ে বেশ বড় এক চাদর দিয়ে থাকেন) বরের সাথে যাবার সময় মধ্যপ্রাচ্যের এক দেশে সেখানকার পুরুষদের জঘন্য দৃষ্টির কথা বলেছিলেন। আমার বাবা কখনো মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশে যাননি। কোনো সম্প্রদায়ের সবাইকে এক কাতারে ফেলে বিচার করা রেসিজম। কিন্তু কোনো আচরণ, কর্ম যদি হয় কোনো সম্প্রদায়ের অধিকাংশ মানুষের আচরণ, তখন মানুষ বাধ্য হয় সবাইকে এক কাতারে ফেলতে। পাকিস্তান, মধ্য প্রাচ্যের মানুষ নিজেরাই দায়ী তাদের প্রতি মানুষের এই ধারণার জন্য।

আরো স্পষ্ট করে বলি, মুসলমানরাই দায়ী তাদের নিজেদের ধর্ষক হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে। যেই ধর্মে শয্যায় অনিচ্ছুক স্ত্রীকে পেটানোর অধিকার দেওয়া হয়, দাসীর সাথে যৌনাচার বৈধ করা হয়, যুদ্ধে বিপক্ষের নারীদের সম্পত্তির মত ভাগ ও ভোগ করা বৈধ বলা হয় সেই ধর্মের মানুষ ধর্ষক হবে না তো কি হবে?

আশ্চর্য্য হই যখন দেখি মুসলমান নারী বলতে থাকেন, “ইসলামে নারীকে যে অধিকার দেওয়া হয়েছে তা অন্য ধর্মে আছে?” আমি ভাবি, কোনো নারী জেনে বুঝে ইসলাম ধর্ম পালন করেন কিভাবে?

আবারও বলছি, মডারেটরা যেভাবে কমফোর্ট জোনে থেকে ইসলাম পালন করেন ইসলাম কিন্তু সেই অধিকার তাকে দেয়নি (এখনো)।

 

শেয়ার করুন:
  • 36
  •  
  •  
  •  
  •  
    36
    Shares

Islam dhormo shomporke ki asholei writter kisu janen naki vua kisu hadis er boi kokhno poresilen shetar line gulai bollen.. judhhe bipokhher nari der shate kono onnay korar right Islam dayni shudu nari kano judhhe bipokhher oshohay citizen er kono ottachar korar kothai bola hoyni.. r Islam e narider pordar bepar e bolar age purushder chokher pordar kotha bola ase sura nur e.. purush onno nari der dike issajrito takalei jekhane boro maper shastir niom shekhane eshob to durer kotha.. r Islam e bola j “shei bakti uttom j tar wife er kase uttom”.. r etao bola ase j bavichar er kasep jeona.. janina ashob type er writter ra ajkal educated hoe nijeder ki na ki mone kore.. oti baar barle jhore porte hoy mukh thubre.. na jani kothay vua benami hadis porsilen.. r shob dhormei vlo khrp shob manush i ase.. musolmam kisu manush kharap ba islam er baper e tarao kom jane ba kisu jinish tader vul shikhano hoy tai vul kaj kore but oporadhider dhormo die identify kano kora hoy? oporadher to kono dhormo nei.. valomto meaning bujhe age quran porun islam k janun than likhun… bd te ajkal onk vua hadis boi i sell hoy ektu carefull theke oshob na porlei hoy..

লেখক যদি ভাল মানুষ এবং সুশিক্ষিত ( সার্টিফিকেট নির্ভর কুশিক্ষিত নয় ) হয়ে থাকেন তবে নিম্নোক্ত বিষয়ে সঠিক তথ্য দিবেন ……

১. “শয্যায় অনিচ্ছুক স্ত্রীকে পেটানোর অধিকার দেওয়া হয়” কোথায় পেয়েছেন এসব অপব্যখ্যা ???
২.”দাসীর সাথে যৌনাচার বৈধ করা হয়” কোরআন শরীফ অনুযায়ী বর্তমান সময়ে এটার ভিত্তি আছে এর প্রমাণ দিন ।
৩.”যুদ্ধে বিপক্ষের নারীদের সম্পত্তির মত ভাগ ও ভোগ করা বৈধ বলা হয়” এর প্রমাণ দিন

লেখা পড়ে লেখককে কুশিক্ষিত বলেই মনে হচ্ছে , কারণ ইসলামে বিবাহ বহির্ভূত যউন সম্পর্ককে বৈধতা দেয়া হয় নি । লেখক সুস্থ মস্তিস্কে একটু পড়াশোনা করলেই জানতে পারতেন ।

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.