আগে পরিবারে আসুক পরিবর্তন

crying babyফারজানা নীলা: সময়টা ছিল সন্ধ্যাবেলা, রিক্সায় বাসায় ফিরে যাচ্ছে  কোন এক নারী। পাশ দিয়ে দুজন যুবক যাওয়ার সময় একজন একটি কুৎসিত মন্তব্য করে বসলো, “একটু দুধ খাওয়া না”। আবার এমনও বলতে শুনেছি খুব কাছের বন্ধুদের কাছ থেকেই, ‘চলো যাই, একটু ‘দুধ’ চা খেয়ে আসি’। দুধ শব্দটার ওপর এমনভাবে জোর দেয় যে, বুঝতে বাকি থাকে না এখানে কী বলতে চাইছে তারা।
এমন বা এর চেয়েও জঘন্য মন্তব্য হরহামেশাই মেয়েরা পথে ঘাটে শুনে থাকে। যাকে আমরা ইভটিজিং বলি। নারীর দৈনিক জীবন যাপনে এমন মন্তব্য অনেকটা অক্সিজেনের মত স্বাভাবিক হয়ে গেছে বর্তমানে। কেউ গায়ে মেখে মন খারাপ করে, কেউ প্রতিবাদ করে অথবা কেউ পাশ কাটিয়ে চলে যায়। মাঝে মাঝে প্রতিবাদের খবর বিভিন্ন মাধ্যম হতে পাই; শুনে, পড়ে, জেনে ভাল লাগে। কিন্তু এই প্রতিবাদ কমাতে পারে না এমন নোংরা কদর্য ইভ টিজিং এর পরিমাণ।
পাশ দিয়ে একটি ছেলে হেঁটে গেলে মনে মনে একটা ধারণাই জন্মে হয়তো কিছু বলে বসবে। মেয়েদের শরীরের প্রতি ছেলেদের এমন তীব্র লালসা, যেটি অসুস্থতার কাতারে পড়ে। বিষমগামি মানুষ মাত্রই বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকৃষ্ট হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু প্রতিনিয়ত মেয়ে দেখলেই তাদের শরীর নিয়ে কুৎসিত যৌন উত্তেজক অশ্লীল মন্তব্য করা স্বাভাবিক মানুষের বৈশিষ্ট্য হতে পারে না।
তবে কি আমাদের দেশের অধিকাংশ পুরুষের মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক নেই? নারী শরীরে যারা শুধুমাত্র যৌনতা ছাড়া কিছু খুঁজে পায় না তারা অবশ্যই মানসিকভাবে অসুস্থ। একটি উত্তর কোনমতে খুঁজে পাই না, বা বুঝে উঠতে পারি না যে একটি নারীকে দেখলে যৌন উত্তেজক মন্তব্য দিয়ে পুরুষরা কী তৃপ্তি পায়? পথ চলতে, বাসে, গাড়িতে, ভিড়ে একটি নারীকে নোংরা কথা বলে অথবা তাঁর শরীরে হাত দিয়ে কয়েক সেকেন্ডের জন্য কী আনন্দ পাওয়া যায়? তাদের কী পুলক লাগে? নোংরা কথা ছুঁড়ে দেওয়ার সময় কী তাদের যৌন সঙ্গমের আনন্দ হয়?
হয় নিশ্চয়ই। কোন আনন্দ পাওয়া না গেলে অহেতুক একজন মানুষ অন্য মানুষের দিকে এমন কদর্য বিশ্রী অশ্লীল বাক্য কেন উচ্চারণ করবে? বিজ্ঞান বলে শারীরিকভাবে উত্তেজিত হওয়ার জন্য কিছু সময় প্রয়োজন, ধীরে ধীরে শরীরকে জাগাতে কামনা উদ্রেক করতে। কিন্তু বাঙালি পুরুষ সম্প্রদায়ের কোন সময়ের প্রয়োজন হয় না। তারা নারী দেখলেই তাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়ে অশ্লীল কথা বলে পুলকিত হয়। এমন অবিশ্বাস্য মানসিকতা নিয়ে মনে হয় কেবল বাঙালি পুরুষ অথবা এ্ই্ উপমহাদেশের পুরুষেরাই জন্ম নিয়েছে।
নারী শরীর লোভনীয় পুরুষের কাছে, বাঙালি পুরুষের কাছে আরও বেশি রকমের লোভনীয়। কিন্তু পোশাক দ্বারা আবৃত শরীর দেখে কেমন লোভ জাগতে পারে সেটি স্বয়ং পুরুষ ছাড়া আর কারও পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়। সমাজের একটি খোঁড়া অজুহাত আছে যে নারীর পোশাকের জন্য নারী অপমানের সম্মুখীন হয়।  একজন মানুষ সে পুরুষ হোক আর নারী হোক তার যেমন খুশি পোশাক পরবে। নারী যদি বোরকা পরতে চায় পরবে, যদি জিন্স টিশার্ট পরতে চায় পরবে। কে কী ধরনের পোশাক পরবে তার উপর কারও অধিকার নেই কোন মন্তব্য করার।
আর পোশাকের উপর ভিত্তি করে কটু বাক্য বলা হয় এমন একটি খোঁড়া চিন্তা আমাদের সমাজে বহাল তবিয়তে বিরাজমান। যেই মেয়েটি সন্ধ্যার আলো আধারি পথে রিক্সার হুডের ভেতরে ছিল সেই মেয়েটির কোন অঙ্গ দেখে ছেলেটি উত্তেজিত হল যে সে নোংরা কথা বলতে বাধ্য হচ্ছে? শুধু এই মেয়েটি কেন, যেকোনো মেয়ে সে যখনই ঘর  থেকে বের হবে কাপড় পরেই বের হবে।  কাপড়ের উপর যদি শরীরের কিছু বুঝাও যায় তবেও কি কারও কোন অধিকার আছে তাকে নিয়ে কোন নোংরা কথা বলার? অধিকার যে নেই সে কথা পুরুষ সম্প্রদায় খুব কমই স্বীকার করতে চায়। অধিকাংশ পুরুষেরদাবি  নারীর পোশাকের জন্যই তারা নোংরা মন্তব্যের শিকার হয়।
যারা এমন মনে করে তাদের বাসায় সব নারীরা মনে হয় বোরকার আড়ালে থাকে। এবং সবচেয়ে হাস্যকর কথা হল বোরকা পরেও এমন মন্তব্য এড়িয়ে যাওয়া যায় না। একজন বোরকা পরিহিতাও জীবনে কখনো না কখনো কুৎসিত মন্তব্যের  শিকার হয়েছিলেন। ছেলেদের যুক্তি যদি হয় বোরকা পরলেই এইসবের সমাধান হয়ে যায় তবে বোরকা পরিহিতাও কেন এসবের সম্মুখীন হয়? উত্তর তখন অজানা হয়ে যায়। অথবা আরও খোঁড়া যুক্তি দেওয়া হয় যে সব ছেলে এক না? জী আমরা জানি সব ছেলে এক না। কিন্তু এই কথা তখন কোথায়  থাকে যখন একজন স্বাভাবিক ড্রেস পরা মেয়েকে রাস্তা ঘাটে বাসে যানবাহনে অহরহ কটু কথা শুনতে হয়? আকারে ইঙ্গিতে পুরুষ সমাজ ঠিকই বুঝিয়ে দেয় “মেয়ে তুমি মেয়ে হয়েছ বলে তোমাকে কটু কথা শুনতেই হবে”।  বোরকা পরো বোরকা পরো বলে পুরুষ সমাজ যখন চেঁচিয়ে মরে তখন একজন বোরকা পরিহিতা এসে যখন বলে আমাকে বলা হয়েছে “মাল,উফফ পাছা, বোরকা পরানি পাগল করেছে” তখন পুরুষের উচ্চে রাখা মাথা নত হয় ঠিকই কিন্তু বলে না যে পুরুষ সমাজ দায়ী এই নোংরামির জন্য।
ইভ টিজিং শুধু যে অউন্নত দেশে হয় তা নয়, অন্যান্য দেশেও হয়, কিন্তু পরিমানে পার্থক্য আছে। আমাদের মতো দেশে যেখানে প্রতিদিন অধিকাংশ মেয়ের ভাগ্যে জোটে এই বিড়ম্বনা সেখানে উন্নত দেশে কালে ভদ্রে মেয়েদের এমন পরিস্থিতির শিকার হতে হয়। কেন এমন পার্থক্য? সেই দেশের ছেলেরাও ছেলে, এই দেশের ছেলেরাও ছেলে। সেই দেশের ছেলেদের যেমন মেয়েদের প্রতি আকর্ষণ আছে তেমনি আমাদের দেশের মেয়েদের প্রতিও আকর্ষণ আছে।পার্থক্য হচ্ছে শিক্ষায়, পারিবারিক আবহাওয়ায়, সামাজিকতায়। সে দেশে একজন ছেলে বা মেয়ে ছোটবেলা থেকে পরিবার থেকে দেখে আসছে নারী পুরুষের মধ্যে কোন বৈষম্য নেই। একজন শিশু এই শিক্ষা নিয়ে বেড়ে উঠছে যে কাজ একজন ছেলে করছে সেই কাজ একজন মেয়েও করছে, যে পোশাক একজন ছেলে পরছে তেমন পোশাক একজন মেয়েও পরছে।
মেয়ে বলে তাঁকে ভিন্ন কোন অতিরিক্ত পোশাক পরতে হচ্ছে না। রাস্তা ঘাটে ছেলেরা মেয়ের শরীর নিয়ে কি মন্তব্য করবে তা নিয়ে কেউ চিন্তিত না। সেখানে পরিবার শিক্ষে দেয় না যে যেহেতু সে মেয়ে তাই তাঁকে অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। সেখানে বাবা মা বলে না যে তোমার বোনকে দেখে শুনে রেখো, বা বলে না তোমার বোন মেয়ে তাই সন্ধায় বাইরে যেতে পারবে না। কিন্তু ভাইটি বাইরে যেতে পারে যখন খুশি তখন। পরিবার বলে না যে যেহেতু তোমার বোন মেয়ে সেহেতু সে একটু বড় হলেই খেলেধুলা বন্ধ করে দিবে, কিন্তু ভাইটি দিব্বি খেলতে পারবে। মা শিখায় না মেয়েকে নরমাল জামা কাপড়ের উপর অতিরিক্ত কাপড় ওড়না বা বোরকা জড়াতে হবে, যাতে তার শরীরের কোন অংশ বুঝা না যায়। কিন্তু ভাইটি চাইলে হাফ প্যান্ট পরেই বাইরে যেতে পারে। বাঙালি পরিবারে আকারে ইঙ্গিতে মৌখিক ভাষায় সর্বদা সন্তানদের এই শিক্ষাই দেওয়া হয় মেয়েকে থাকতে হবে অন্দর মহলে ছেলেকে থাকতে হয় বাইরে। মেয়েকে তার শরীর সর্বদা ঢেকে রাখতে হয় অতিরিক্ত কাপড়ে যাতে কারো নজর না পড়ে।  শিক্ষা দেওয়া হয় মেয়েদের কাজ সন্তান লালন আর স্বামীর সেবা, ছেলের কাজ উপার্জন করা। বাঙালি পরিবারে ছেলে মেয়ে উভয়ই বেড়ে উঠে এই মানশিকতায় নারী শরীর একটি গুপ্ত ধন, একে সর্বদা অত্যন্ত সাবধানতার সাথে আগলে রাখতে হবে।
কারণ বাইরে আছে পুরুষ সমাজ, যারা প্রতিনিয়ত উত পেতে থাকে এই শরীরের জন্য, যদি একবার হাতের নাগালে পায় তবে একে ছিঁড়ে ফেলতে এক মুহূর্ত সময় নিবে না। পাশ্চাত্য পরিবারে  শেখান হয় না নারী পুরুষের মধ্যে  বৈষম্য করতে। এই বৈষম্যহীন শিক্ষাই সেখানে পুরুষকে উৎসাহিত করে না মেয়েদের নিয়ে আজেবাজে কোন মন্তব্য করতে। যেখানে সব কিছু উন্মুক্ত স্বাধীন সমান সেখানে নারী শরীর নিয়ে অতিরিক্ত মাথা ব্যথা নেই কারো। সেখানে নারীর সাথে পুরুষের মেলামেশা ঠিক সেরকম যেরকম ভাবে একজন পুরুষ মিশে পুরুষের সাথে।
এর ঠিক বিপরীত চিত্র আমাদের সমাজে। এখানে নারী পুরুষ মেলামেশায় রয়েছে অসংখ্য বাধা। যে বাধার শুরুটা হয় পরিবার থেকে। এমন কোন বাঙালি পরিবার  হয়ত খুঁজে পাওয়া যাবে না সেখানে বাবা মা সন্তাদের শারীরিক বিষয় নিয়ে শিক্ষা দেয়, ছেলে মেয়ের শারীরিক পার্থক্য বুঝিয়ে দেয়। এমনকি আমাদের সমাজে বয়ঃসন্ধি কালের বিষয় নিয়েও কেউ খোলামেলা আলোচনা করে না। মেয়ের যখন ঋতুস্রাব হয় মা তখন তাঁকে শেখায় কতটা ভয়ংকর এই জিনিশ। শেখায় না ঋতুস্রাব  খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার নারী জীবনে। কোন বাবা মা শেখায় না তাদের ছেলেকে যে নারী পুরুষের মধ্যে শুধু শারীরিক  পার্থক্য। একজন ছেলের যেমন লজ্জার স্থান আছে নারীরও আছে। কিন্তু এই নিয়ে হাসি ঠাট্টা তামাশা করা যে অন্যায় অরুচিকর অমানবিক সেই শিক্ষা কোন বাঙালি পরিবারে কি দেওয়া হয়? হয় না।
পরিবারের এমন নারী পুরুষ বৈষম্যমূলক শিক্ষা একজন পুরুষকে নারীর প্রতি এক গোপনীয় কামনা জাগায়। সে ভাবতে শিখে নারী মানেই ঘরে থাকার জিনিশ, গোপনে আব্রুতে থাকার জিনিশ। আর যে জিনিশ যত  গোপনে থাকবে তার প্রতি আকর্ষণ জন্মাবে বেশি। এই আকর্ষণ এক সময় নেতিবাচক ফল নিয়ে আসে। অহরহ একজন ছেলে দেখে সমাজে নারীকে প্রতিদিন হেয় করা হচ্ছে। সেও তখন সেই দিকে আকৃষ্ট হয়। যার ফল একজন অশিক্ষিত রাস্তার বখাটে ছেলে থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলেও ইভ টিজিং করে। একজন বখাটে ছেলে যখন ইভ টিজিং করে তখন না হয় আমরা বলতে পারি ছেলেটি সঠিক শিক্ষা পায় নি। কিন্তু একজন শিক্ষিত ছেলে যখন করে তখন কি যুক্তি দেওয়া যাবে?
সে শিক্ষিত বলেই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারছে। আমাদের পারিবারিক শিক্ষায় যে গলদ তারই ফল শিক্ষিত হোক আর অশিক্ষিত; নারী পুরুষ দ্বারা ইভ টিজিং এর শিকার হচ্ছে। এটি দুঃখজনক কিন্তু এটাই বাস্তবতা যে আমাদের পারিবারিক শিক্ষাই দায়ী একজন পুরুষকে ইভ টিজারে পরিণত করার ক্ষেত্রে। বলা হয় পরিবার কি বলে যে নারী দেখলে খারাপ কথা বলতে হবে? না পরিবার বলে না এমন কিছু। কিন্তু পরিবার আমাদের সুক্ষ থেকে সুক্ষাতর কার্যকলাপ এবং আকারে ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দেয় নারী মাত্রই আব্রু, পুরুষ মাত্রই উন্মুক্ত। যা থেকে পুরুষ ধারণা করে নেয় নারীকে সহজে হেয় করা যায়। পরিবারের এমন অসচেতনমূলক শিক্ষাই পরোক্ষ ভাবে দায়ী ইভ টিজিং এর ঘটনার জন্য।
এখানে সেই সব পুরুষরাই স্বশিক্ষিত এবং নারীদের মানুষের মর্যাদাই দেয় যেসব পরিবারে নারী   পুরুষ বৈষম্য তুলনামূলক ভাবে কম। এখানে পুরুষরা পুরুষ থেকে মানুষ হয় নিজের ইচ্ছে, সৎসঙ্গ, পড়াশুনা এবং পারিবারিক তুলনামূলক উন্নত পরিবেশের কারণে।
আমরা প্রতিনিয়ত অহরহ প্রতিবাদ মিছিল আন্দোলন করি, সমাজকে বুঝাতে চাই ইভটিজিং অন্যায় অনুচিত। আইন বানাই, প্রনয়নও করি ক্ষেত্র বিশেষে। কিন্তু গোঁড়ায় যদি গলদ থাকে উপরে কতো আর পরিচর্যা করা যায়! পরিবারের মধ্যে বৈষম্যমূলক শিক্ষার সমাপ্তি না হলে এই নারী পুরুষ বৈষম্য, চলতে ফিরতে নোংরা কথার বন্যা, শরীরে আচানক স্পর্শ এসব চলতেই থাকবে।  আমাদের আন্দোলন যতটা রাজপথ কেন্দ্রিক ততটা পরিবারকেন্দ্রিক নয়। যতটা সচেতনতা আমরা সমাজে আনতে চাই সেটি পরিবারে আনতে সক্ষম হচ্ছি না। কারণ আমাদের ধারণা সমাজে আন্দোলন করলেই পরিবর্তন আনায়ন সম্ভব। কিন্তু ছোটবেলা থেকে লালন করা ধ্যান ধারণা এতো সহজেই পরিবর্তন হয়ে যায় না। আন্দোলন হওয়া উচিত পরিবারের মধ্যে, পারিবারিক বলয়ে বাবা মা থেকে প্রাপ্ত শিক্ষায়। পরিবার থেকে মেয়ে মানে দুর্বল এবং গোপনীয় এমন শিক্ষা নিয়ে বাইরে এসে নারীকে প্রাপ্ত সম্মান দেওয়া কঠিন।
এমন সমাজ চাই যেখানে নারীকে কেউ উত্যক্ত করবে না, সে স্বাধীন ভাবে বিচরন করবে যেমন পুরুষ করে, কিন্তু এমন সমাজের ভীত অবস্থান করে আমাদের পরিবারে। পরিবারে আগে নারী পুরুষ বৈষম্য দূর হলে তবেই সমাজে পরিবর্তন সম্ভব। নতুবা নারী মুক্তি,  নারী সম্মান বা ইভ টিজিং এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আন্দোলন আর মিটিং মিছিলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকে যাবে। ফল খুব সামান্যই আসবে।
 
শেয়ার করুন:
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.