মৃত্যুতেও ক্ষয় নেই যে প্রাণের

Jahanara Imamফারহানা রহমান: শহীদ জননী জাহানারা ইমামের “একাত্তরের দিনগুলি” বইটি আমি ১৯৮৮  সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ১০ তারিখে কিনেছিলাম। তারিখটা মনে আছে কারণ বই কেনার পর প্রথম আমি যে কাজটা করি তা হচ্ছে বইয়ের প্রথম পাতায় বই কেনার তারিখটা লিখে রাখা। আরও মনে আছে রুদ্ধশ্বাসে বইটা শেষ করেছিলাম কারণ এর আগে আমি কখনো যুদ্ধের কোন বই পড়িনি।

যুদ্ধ ব্যাপারটার প্রতি আমার চিরকালের ভয় ও ঘৃণা থেকেই এ বিষয়ে কোন আগ্রহ ছিলনা আর এর প্রধান কারণ হচ্ছে আমার আব্বা ও মেজো চাচা  সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন আর ছোটবেলা থেকেই যুদ্ধের নানা নির্মম কাহিনী ও বীভৎসতার বিবরণ শুনতে হয়েছে।

তবে একাত্তরের দিনগুলি পড়েই সত্যিকার অর্থে আমি স্বাধীনতার যুদ্ধ সম্পর্কে যেন নতুন করে জানতে পারি আর আমার একবারও মনে হয়নি যে আমি কোন বই পড়ছি , মনে হয়েছে যেন নিজ চোখ দিয়েই যুদ্ধের দিনগুলো দেখতে পাচ্ছি, যেন নিজেই যুদ্ধের সময়ের মধ্যেই আছি। এমন নির্মল সরল কিন্তু দৃঢ় বিবরণ বোধ হয় শুধু জাহানারা ইমামের পক্ষেই করা সম্ভব। আর তখন থেকেই তাঁর প্রতি জন্ম নেয় আমার অপার আগ্রহ ও গভীর শ্রদ্ধাবোধ।

এরপর যুদ্ধের অনেক বই পড়েছি, অনেক সিনেমা দেখেছি, কিন্তু “ একাত্তরের দিনগুলি” পড়ে ঠিক যেমন করে আবেগে আপ্লুত হয়েছিলাম সেই অল্প বয়সে, হয়তো বা ঠিক সেভাবে আর কখনই হইনি।   

স্বাধীনতা দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের জন্য আজীবনের লড়াকু জাহানারা ইমাম(১৯২৯-১৯৯৪), যাকে আমরা শহীদ জননী হিসেবেই জানি।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির আহবায়করূপে তিনি সর্বাধিক পরিচিতি লাভ করেন। পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার সুন্দরপুর গ্রামের এক রক্ষণশীল বাঙালী মুসলমান পরিবারে ১৯২৯ সালের ৩ মে জাহানারা ইমাম জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর ডাক নাম ছিল জুড়ু। সাত ভাইবোনের মধ্যে তিনি  ছিলেন সবার বড়। তবে পরে জুড়ু নামটির বদলে তাঁকে জাহান বা জাহানারা বেগম নামে ডাকা হতো।

জাহানারা ইমামের বাবা সৈয়দ আবদুল আলী ছিলেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। মা সৈয়দা হামিদা বেগম। বাবার কাছেই তাঁর শিক্ষা জীবনের শুরু। শিক্ষা জীবনে তাঁর বাবা সব ধরনের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন। শিশুকাল থেকে তিনি ছিলেন খুবই চঞ্চলপ্রকৃতির। দশ থেকে বারো বছর বয়স পর্যন্ত জাহানারা ইমামের সময় কেটেছে কুড়িগ্রামে। এ সময় তিনি সাইকেল চালানো থেকে শুরু করে নানা ধরনের খেলাধুলায় মেতে থাকতেন। কিন্তু পরবর্তীতে রক্ষণশীল মুসলিম পরিবারে প্রথা অনুসারে নিষিদ্ধ হয়ে যায় তাঁর বাড়ির বাইরে যাওয়া। বাবার চাকুরির  (ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট) কারণে কখনো সেতাবগঞ্জ, কখনো ঠাকুরগাঁ, কখনো খেপুপাড়া বসবাস করতে হয়েছে। শিশুকাল থেকেই পড়াশুনার পাশাপাশি নানা ধরনের বই পড়া তাঁর নেশায় পরিণত হয়েছিলো।

বাসায় নিয়মিত আসতো পত্রপত্রিকা। দৈনিক আনন্দবাজার, অমৃতবাজার, আজাদ, ষ্টেটসম্যান, সাপ্তাহিক শনিবারের চিঠি, ইলাষ্ট্রেটেড উইকলি অব ইন্ডিয়া, মাসিক ভারতবর্ষ, প্রবাসী, বসুমতি আর মোহাম্মদী। বাড়িতে কলের গান বাজান হতো। সপ্তাহে দু-দিন তাঁকে গানের মাস্টার এসে গান শিখিয়ে যেতেন। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম, নারী শিক্ষা আন্দোলন, মুসলিম সমাজের জাগরণে বেগম রোকেয়ার সাধনা- এসব বিষয়ের ওপর রচিত বইয়ের প্রতি ছিল তাঁর ভীষণ আগ্রহ, যা তাঁর মেধা ও মনোজগৎকে গঠন করেছে।

কুড়িগ্রামে মেয়েদের স্কুল ছিল না বলে ছেলেদের স্কুলে সপ্তম শ্রেণীতে তিনি নাম লেখান। ১৯৪১ সালে কুড়িগ্রাম থেকে বদলি হয়ে তাঁরা চলে এলেন লালমনিরহাটে। লালমনিরহাটে ম্যাট্রিক পরীক্ষা দেবার জন্য সেন্টার ছিলো না তাই তাঁকে ম্যাট্রিক পরীক্ষা দিতে হয়েছিলো রংপুর থেকে। ম্যাট্রিক পাস করে ১৯৪২ সালে রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকে ১৯৪৪ সালে আইএ পাস করেন। ১৯৪৫ সালে ভর্তি হন কলকাতার লেডি ব্রেবোর্ন কলেজে। এই কলেজ থেকে ১৯৪৭ সালে বিএ পাস করেন। এরপর বিএড-এ টিচার্স ট্রেনিং কলেজে। ১৯৬০ সালে প্রথম শ্রেণীতে বি.এড ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৬৪ সালে ফুলব্রাইট স্কলারশিপ পেয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়াগো স্টেট কলেজ থেকে সার্টিফিকেট ইন এডুকেশন ডিগ্রি অর্জন করেন। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরে ১৯৬৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় এমএ পাস করেন।

শিক্ষক হিসাবে তার কর্মময় জীবনের শুরু হয়  ময়মনসিংহ  শহরের বিদ্যাময়ী স্কুলে। এরপর ঢাকায় চলে আসেন। ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (১৯৫২-১৯৬০),বুলবুল একাডেমি কিন্ডারগার্টেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক (১৯৬২-১৯৬৬)এবং ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজের প্রভাষক (১৯৬৬‌-১৯৬৮)হিসাবে তার কর্মজীবন অতিবাহিত হয়। তিনি কিছুদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটেও খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসাবে কাজ করেন।

এসময় তিনি নানা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হন। তিনি বাংলা একাডেমীর কার্যনির্বাহী পরিষদে জুলাই ১৯৮০-৮২ সাল পর্যন্ত সদস্য ছিলেন। ১৯৬০ সালে তিনি এডুকেশনাল বোর্ডের প্রতিনিধি হয়ে সিলেবাস সেমিনারে পশ্চিম পাকিস্তানের পেশোয়ারে যান। তিনি ‘গার্লস গাইড’, ‘পাকিস্তান উইমেন্স ন্যাশনাল গার্ড’, ‘খেলাধুলা’, ‘অল পাকিস্তান উইমেন্স এসোসিয়েশন’ সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি ঢাকা বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনে অনুষ্ঠান উপস্থাপনা ও পরিচালনা করেছেন। তিনি ‘ব্রিটিশ কাউন্সিল লাইব্রেরি মঞ্চে’ শেক্সপিয়ারের একটি নাটকে অভিনয়ও করেছিলেন।

১৯৪৮ সালের ৯ আগস্ট শরীফুল আলম ইমাম আহমদের সঙ্গে জাহানারা বেগমের বিয়ে হয়। শরীফ ইমাম ছিলেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। ১৯৫১ সালে ছেলে শাফী ইমাম রুমীর জন্ম। ১৯৫৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর তাদের দ্বিতীয় সন্তান সাইফ ইমাম জামীর জন্ম হয়। একাত্তরে যুদ্ধ শুরু হলে ছেলে রুমী চলে যান যুদ্ধে। একজন দুঃসাহসী গেরিলা হিসেবে কয়েকটি সফল অপারেশনের পর পাকিস্তানি মিলিটারির হাতে ধরা পড়েন রুমি এবং নিহত হন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর রুমীর বন্ধুরা জাহানারা ইমামকে সকল মুক্তিযোদ্ধার ‘মা’ হিসেবে বরণ করে নেন। তখন থেকেই তিনি ‘শহীদ জননী’র মর্যাদায় ভূষিত। স্বামী শরীফুল আলমকেও হারান ১৯৭১ সালের ১৫ ডিসেম্বর। সেই থেকে শুরু হয় তাঁর জীবনের নতুন পর্ব।

১৯৮২ সালে প্রথম তাঁর ক্যান্সার ধরা পড়ে। এসময়ই বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের লোভ ও অদূরদর্শিতার কারণে স্বাধীনতাবিরোধী চক্র একাত্তরের ঘাতক দালাল রাজাকার আলবদরদের ক্রমশঃ উত্থানে তিনি বিচলিত হয়ে পরেন। এই ধর্মান্ধ মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী, মুক্তিযুদ্ধ ও  স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির উত্থানকে রুখে দিতে মাথা উঁচু করে দাঁড়ান জাহানারা ইমাম।

১৯৯২ সালের ১৯ জানুয়ারী ১০১ সদস্যবিশিষ্ট ‘একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’ গঠিত হয় জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে। এরপর মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী প্রতিরোধ মঞ্চ, ১৪টি ছাত্র সংগঠন, প্রধান প্রধান রাজনৈতিক জোট, শ্রমিক-কৃষক-নারী এবং সাংস্কৃতিক জোটসহ ৭০টি সংগঠনের সমন্বয়ে পরবর্তীতে ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২ ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল জাতীয় সমন্বয় কমিটি’ গঠনে তিনিই মূল ভূমিকা পালন করেন। দেশের লাখ লাখ মানুষ শামিল হয় নতুন এই প্লাটফর্মে।

এই কমিটি ১৯৯২ সালের ২৬ মার্চ ‘গণআদালত’-এর মাধ্যমে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একাত্তরের নরঘাতক গোলাম আযমের ঐতিহাসিক বিচার অনুষ্ঠিত করে। ১২ জন বিচারক সমন্বয়ে গঠিত গণআদালতের চেয়ারম্যান জাহানারা ইমাম গোলাম আযমের ১০টি অপরাধ মৃত্যুদণ্ডযোগ্য বলে ঘোষণা করেন। সমবেত লক্ষ লক্ষ মানুষের পক্ষ থেকে জাহানারা ইমাম গণআদালতের রায় কার্যকর করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান। সেদিন পুলিশ ও বিডিআরের কঠিন ব্যারিকেড ভেঙ্গে বিশাল জনস্রোত সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢুকে পড়েছিলো। সেই বিশৃঙ্খল পরিবেশে বর্ষীয়ান কবি বেগম সুফিয়া কামাল ও কথাশিল্পী শওকত ওসমানকে গণআদালত মঞ্চে (ট্রাকে) উপস্থিত করা সম্ভব হয়নি বলে মাওলানা আবদুল আউয়ালকে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে গণআদালত সদস্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

গণআদালত অনুষ্ঠিত হবার পর সরকার ২৪জন বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ জাহানারা ইমামের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ এনে অজামিনযোগ্য মামলা দায়ের করে। পরবর্তীতে হাইকোর্ট তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। তারপর লাখো জনতার পদযাত্রার মাধ্যমে জাহানারা ইমাম ১২ এপ্রিল ১৯৯২ গণআদালতের রায় কার্যকর করার দাবী সংবলিত স্মারকলিপি নিয়ে জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পিকার, প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার কাছে পেশ করেন। চিন্তায়, চেতনায়, মননে ও মেধায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে লালনকারী ১০০ জন সাংসদ গণআদালতের রায়ের পক্ষে সমর্থন ঘোষণা করলে আন্দোলনে যুক্ত হয় নতুন মাত্রা।

শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় দেশব্যাপী গণস্বাক্ষর, গণসমাবেশ, মানববন্ধন, সংসদ যাত্রা, অবস্থান ধর্মঘট, মহাসমাবেশ ইত্যাদি কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে আন্দোলন আরো বেগবান হয়। অবস্থা বেগতিক দেখে সরকার ৩০ জুন ১৯৯২ সংসদে ৪ দফা চুক্তি করতে বাধ্য হন।

২৮ মার্চ ১৯৯৩ নির্মূল কমিটির সমাবেশে পুলিশের নির্মম লাঠিচার্জে আহত হন জাহানারা ইমাম। তিনি প্রায় অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান রাজপথে। এ সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এমনকি বিদেশেও গঠিত হয় নির্মূল কমিটি এবং শুরু হয় ব্যাপক আন্দোলন। পত্রপত্রিকায় সংবাদ শিরোনাম হয়ে উঠলে আন্তর্জাতিক মহলেও ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেন জাহানারা ইমাম। গোলাম আযমসহ একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবির আন্দোলনকে সমর্থন দেয় ইউরোপীয় পার্লামেন্ট। আন্দোলন ব্যাপকতা লাভ করে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে।

এ সময় খুব দ্রুত তাঁর শারীরিক অবস্থা অবনতি হতে থাকে। এরপর ২৬ জুন ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় মিশিগানের ডেট্রয়েট নগরীর সাইনাই হাসপাতালে ৬৫ বছর বয়সে জাহানারা ইমাম শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

৪ জুলাই ১৯৯৪ সাল বিকেলে শহীদ জননীর মরদেহ বাংলাদেশে আনা হয়। শহীদ জননীকে জানাজা শেষে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযোদ্ধা কবরস্থানে সমাহিত করা হয়। এ সময় মুক্তিযুদ্ধের আট জন সেক্টর কমান্ডার শহীদ জননীকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন।

তিনি আজীবন ধরে শিশু সাহিত্য, অনুবাদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বিভিন্ন বই লিখে গেছেন। ‘একাত্তরের দিনগুলি’ তার সর্বাপেক্ষা বিখ্যাত গ্রন্থ। এছাড়াও তাঁর উল্লেখযোগ্য বইগুলো  হচ্ছে – অন্য জীবন, বীরশ্রেষ্ঠ, জীবন মৃত্যু, চিরায়ত সাহিত্য, বুকের ভিতরে আগুন,নাটকের অবসান, দুই মেরু,নিঃসঙ্গ পাইন ,নয় এ মধুর খেলা,ক্যানসারের সঙ্গে বসবাস, ও প্রবাসের দিনলিপি।

তিনি স্বাধীনতা পদক (১৯৯৭), বাংলাদেশ লেখিকা সংঘ সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৮), কমর মুশতরী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৮), বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৯১), আজকের কাগজ হতে শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা পুরস্কার (বাংলা ১৪০১ সনে), নারী গ্রন্থ প্রবর্তনা (১৯৯৪),রোকেয়া পদক (১৯৯৮) প্রভৃতি পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।

২৬ শে জুন শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ২১ তম মৃত্যুবার্ষিকীতে সকল বাঙ্গালীর পক্ষ থেকে তাঁকে বিনম্র শ্রদ্ধা।

শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.