ধর্ম মন্ত্রণালয়ের একটু ঝাড়ফুক দরকার

Toilet 4কাজী রোকসানা রুমা: একটা ওয়ার্ডও বুঝিনি, বুঝতে চাইওনা। শুধু যেটা বুঝেছি সেটা হলো ধর্ম মন্ত্রণালয়রে একটু ঝাড়ফুক করতে হবে। ভূতে ধরছে। অবশ্য খুব সেয়ান ভূতেই ধরছে। বাংলা দেয়ালে আরবী।

বলি, ঐ মশায়রা সমস্ত সুযোগ সুবিধা দিয়া রাখবেন ঢাকা শহরে, চাকরী, ব্যবসা, চাকচিক্য দিয়া ভইরে রাখবেন এই শহররে। বিকেন্দ্রীকরণের কোন পেলান করবেন না, তাইলে সেই শহরে মানুষ বাড়বে না তো কি বাড়বে আমার পিরোজপুরে?

এই এত্তো এত্তো মানুষরে ঢাকায় ঠাঁই দেবেন, তাগো হাগুমুতুর জায়গা দেবেন না, রাস্তায় জ্যামের মধ্যে ঘন্টার পর ঘন্টা বসাইয়ে রাখবেন, জ্যাম কমাইতে পারবেন না, ঘন্টার পর ঘন্টা রাস্তায় কাটাবে মানুষ, তাইলে মানুষ তলপেটের চাপ আসলে কোনখানে হাগুমুতু করবে শুনি?

আপনারা কোন ফ্যাসিলিটি দিবেন না, কিন্তু সবাইরে বলবেন সচেতন হও, এইটা কি হইলো? আর এই সুযোগে ধর্মান্ধ জনগোষ্ঠীর ধর্ম চেতনার সুযোগ নিয়ে তাদের আবাল বানাবেন….বাংলা ভাষার জন্য রক্ত দেবেন আর দেয়ালে আরবী ভাষা লিখবেন।

আপনাদের লজ্জা-টজ্জা কোথায় রাইখে আসছেন, একটু বলেন তো শুনি! দেশটারে কি পাকিস্তান পাইছেন? আর এই আবাল জনতাও শালা এমন মূর্খ, ঐখানে কি লেখা না বুইঝেই……সিটি কর্পোরেশন এর অর্থ বরাদ্দ তো দেখলাম….একটা পায়খানা- মুতুখানার কথাওতো কোথাও বলেন নাই….পানি তো দূরের কথা।

হাগুমুতু খানা বানান, নাইলে কয়দিন পরে ঐসবের বানে ঐ আরবী-টারবী ভাইসে যাবে কিন্তু। তখনতো আবার অন্য ইস্যু দাঁড় করাবে আপনাদের বন্ধুরা। এই দেশের সকল মানুষই তখন মুরতাদ বলে ঘোষিত হইবে, হাগুমুতুর বানে আরবী দেয়াল ভাইসে গেছে বইলে।

অনেক সময় নেগেটিভ পাবলিসিটিও গুড পাবলিসিটি, কিন্তু ধর্ম নিয়ে টানাটানির এই পাবলিসিটি বড়ই নোংরা। মাথা ঢাকতে গিয়ে পশ্চাৎদেশ উদাম হয়ে যাবে কিন্তু। সো, খুব খেয়াল কইরা।

(উটপাখি হতে পারিনি এখনও। অসহনীয় হয়ে উঠছি ক্রমশ। এটা তেমনই এক দেশ। বাক্য গঠনে আমার অসংযমিতার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী। ‘গু’কে অবশ্য ‘গু’ ই বলা উচিত)

লেখক: নাট্যকর্মী ও অ্যাক্টিভিস্ট

শেয়ার করুন:
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.