জন্ম নিয়ন্ত্রণের দায় কি শুধুই নারীর?

birthবিশেষ প্রতিবেদন (উইমেন চ্যাপ্টার): আমি বড়ি (পিল) খাই। স্বামী কোনো ব্যবস্থা নেয় না। কনডম নিলে আরাম পায় না। আর স্বামী স্থায়ী পদ্ধতি নিলে কাজকামে জোর পাইবো না। তাই আমিই ব্যবস্থা নিছি -এ কথাগুলো বলছিলেন শ্রীমঙ্গলের একটি চা বাগানের একজন নারী শ্রমিক।

স্থায়ী পদ্ধতি নিলে স্বামী কাজ করতে পারবে না এ কথা তাকে কে বলেছে জানতে চাইলে সেই নারী বিজ্ঞের মতো বললেন, এই কথা তো সবাই জানে।

শ্রীমঙ্গলের বেশ কয়েকটি চা বাগান ঘুরে নারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেলো, এখানে মূলত নারীরাই জন্ম নিয়ন্ত্রণের জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা নেন। তবে স্থায়ী পদ্ধতি বা যেকোনো পদ্ধতি নেয়ার পর সমস্যা দেখা দিলে কোথায় বা কার কাছে যেতে হবে এ তথ্যটি তাঁদের জানা নেই। একজন খানিকটা ক্ষোভ নিয়েই বললেন, পদ্ধতি নেওয়ার আগে স্বাস্থ্যকর্মীরা খাতির করে। তবে পরে আর তাদের খুঁজে পাওয়া যায় না।

বাংলাদেশে জন্মনিয়ন্ত্রণের যে সাফল্য তার পুরোটাই বলতে গেলে নারীর অবদান। জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারে পুরুষের অংশগ্রহণ এখনো অনেক কম।

নারীনেত্রী ফরিদা আখতারের মতে, সমাজের পুরুষতান্ত্রিক মনোভাব এবং সংস্কৃতিগতভাবে নারী স্বাস্থ্য রক্ষার চেয়ে পুরুষের পৌরুষত্ব রক্ষা করাটাই এখানে মুখ্য হওয়ায় জন্মনিয়ন্ত্রণের সব দায়ভার গিয়ে পড়ছে একজন নারীর ওপর। তিনি বলেন, পুরুষতন্ত্রই নীরবে কাজ করে যাচ্ছে এখানে, আর আমরা কেন জানি মেনেও নিয়েছি এটি। তাছাড়া, আরেকটা বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সন্তান জন্ম দেয়া না দেয়ার পুরো বিষয়টা যেহেতু নারী শরীরকেন্দ্রিক, তাই সন্তান জন্ম দেয়া যেমন মেয়েদের দায়িত্ব, তেমনি না দেয়াটাও তাদের দায়িত্ব বলেই ধরে নেয়া হচ্ছে। সরকারি বা বেসরকারি কোনভাবেই জোরালো কোন চেষ্টা নেই পুরুষদের জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণে উৎসাহিত করার বা বাধ্য করার।

সরকারি হিসাব মতে, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে নয়জন নারীর বিপরীতে মাত্র এক জন পুরুষ পরিবার পরিকল্পনার জন্য পদ্ধতি গ্রহণ করে। শুধু চা বাগানেই নয়, সব এলাকা, ধনী, দরিদ্র সব ধরনের নারীই কোনো না কোনো পদ্ধতি গ্রহণ করছেন। বলতে গেলে জন্মনিয়ন্ত্রণের দায় শুধুই নারীর। শরীর আমার, সিদ্ধান্ত আমার-এই আপ্তবাক্যটা কি কেবল জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্যই প্রযোজ্য হয়ে গেল? এর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর প্রভাবটা কেউ বিবেচনা করবে না?

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জন্ম নিয়ন্ত্রণের জন্য যেসব পদ্ধতি নারীরা গ্রহণ করছেন, তার প্রায় প্রতিটিরই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। তবে কনডম এবং স্থায়ী পদ্ধতি এনএসভি (ছুরিবিহীন ভ্যাসেকটমি) পুরুষেদের মধ্যে কোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে না। তারপরও পুরুষরা এই পদ্ধতি গ্রহণে একেবারেই উৎসাহিত নন। জীবনের সব দায় সেজন্য একাই নারীকে বহন করতে হচ্ছে। আর এর প্রভাব পড়ছে সুদূরপ্রসারী, যেমন সামাজিক জীবনে, তেমনি অর্থনৈতিক জীবনেও। ফলে রাজনৈতিক জীবনও এর প্রভাবমুক্ত থাকছে না।

১৯৫৩ সালের প্রথম দিকে বাংলাদেশে বেসরকারি পর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম শুরু হয়। তারও একযুগ পর থেকে অর্থাৎ ১৯৬৫ সাল থেকে মূল কার্যক্রম শুরু করে সরকার। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৯৭৫ সালে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণ করতেন মাত্র আট শতাংশ দম্পতি। বর্তমানে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণ করছেন ৬১ শতাংশ সক্ষম দম্পতি। ব্যবহারকারীর হার বাড়লেও জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিতে পুরুষের অংশগ্রহণ সেভাবে বাড়েনি। আগে নারীদের লাইগেশন (স্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা) এবং পুরুষদের ভেসেকটমি বাবদ সরকারিভাবে অর্থ বরাদ্দ থাকলেও দেখা গেছে, টাকার লোভে নারীদেরই ঠেলে দেয়া হতো পদ্ধতি গ্রহণে। এর প্রভাব ছিল আরও মারাত্মক। নারী চিরস্থায়ীভাবে বন্ধ্যা হয়ে যেতো। কোনকারণে সন্তানের মৃত্যু ঘটলে সেই প্রভাব পরিবারগুলোকে তছনছ করে দিতো।

সর্বশেষ বাংলাদেশ জনমিতি ও স্বাস্থ্য জরিপ (বিডিএইচএস) ২০১১ বলছে, ১৯৭৫ সালে ০ দশমিক ৭ শতাংশ পুরুষ কনডম ব্যবহার করতেন, বর্তমানে তা হয়েছে ছয় শতাংশ। একই সময়ে খাবার বড়ি ব্যবহারকারীর হার ২ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে বর্তমানে হয়েছে ২৭ শতাংশ। বর্তমানে এটি সর্বোচ্চ ব্যবহƒত পদ্ধতি।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সারা দেশে গত ফেব্র“য়ারি মাসে স্থায়ী পদ্ধতি গ্রহণকারী পুরুষের হার ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। কনডম ব্যবহারকারীর হার ৮ দশমিক ৩ শতাংশ। প্রতিবেদন মতে, পুরুষের অংশগ্রহণ খানিকটা বেড়েছে, তবে নারীদের পদ্ধতি ব্যবহার আরও বেড়েছে।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকাশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, পরিবারের সচ্ছলতা ও উন্নয়নের জন্য স্বামী-স্ত্রী আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে পরিকল্পিতভাবে যে পরিবার গঠন করেন তাকেই পরিবার পরিকল্পনা বলে। তবে দেশের বাস্তবতায় আলাপ আলোচনার অবকাশ কম। পরিবার ছোট রাখতে বা ভারসাম্য রাখতে তাই জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণের দায় কেবলমাত্র নারীকেই নিতে হচ্ছে। মায়ের মৃত্যু হার কমানো, মায়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখা, অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ রোধ, শিশুর স্বাস্থ্য ভালো রাখাসহ বিভিন্ন কারণে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণের দায়ও নারীর।

বিশ্বব্যাপী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির বেশির ভাগই তৈরি করা হয়েছে নারীকে লক্ষ্য করে। বাংলাদেশেও একই অবস্থা। মোট সাতটি পদ্ধতির মধ্যে মাত্র দুইটি আছে পুরুষের জন্য। নারীদের জন্য স্থায়ী পদ্ধতি টিউবেকটমি (লাইগেশন) করতে অস্ত্রোপচারে সময় লাগে ১৫ থেকে ২০ মিনিট। অস্ত্রোপচারের পর হাসপাতালে কমপক্ষে চার ঘন্টা থাকতে হয়।

আইইউডি হচ্ছে নারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদী অস্থায়ী ক্লিনিক্যাল পদ্ধতির একটি। এটি নারীদের জরায়ুতে স্থাপন করতে হয়। স্বাভাবিক প্রসবের ৪৮ ঘন্টার মধ্যে বা অস্ত্রোপচার করে সন্তান প্রসবের সময়ই এটি গ্রহণ করা যায়। এটি ব্যবহারের পর প্রথম কয়েকমাস তলপেটে ব্যথা হতে পারে। ফোঁটা ফোঁটা রক্তস্রাব হতে পারে। মাসিকের পর নিয়মিত সুতা পরীক্ষা করতে হয়। ফলোআপের জন্য ক্লিনিকে যেতে হয়।

ইমপ্ল্যান্ট হচ্ছে নারীদের জন্য অস্থায়ী দীর্ঘমেয়াদী ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি। এতে একটি বা দুইটি নরম চিকন ক্যাপসুল নারীদের হাতের কনুইয়ের উপরে ভেতরের দিকে চামড়ার নিচে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। মাসিকের প্রথম ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যেই এটি নিতে হয়। এক্ষেত্রে কারো কারো মাসিক অনিয়মিত হতে পারে। মাসিক বন্ধ হলে গর্ভবতী কিনা তা নিশ্চিত হতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হয়। মাসিকের সময় রক্তস্রাব বেশি হতে পারে। দু মাসিকের মধ্যবর্তী সময়ে ফোঁটা ফোঁটা রক্তস্রাব হতে পারে। মাথা ব্যথা, ওজন বেড়ে যেতে পারে।

নারীদের জন্য ক্লিনিক্যাল ও অস্থায়ী দীর্ঘমেয়াদী পদ্ধতি হচ্ছে ইনজেকশন। এটি প্রতি তিনমাস পরপর নিতে হয় (ডিপোপ্রভেরা)। এটি ব্যবহারে মাসিকে পরিবর্তন দেখা দেয়। ওজন বেড়ে যেতে পারে। এখানে একটি উদাহরণ দেয়া যায়, এই পদ্ধতি বিশেষভাবে বস্তি এলাকাগুলোতে জনপ্রিয়। এই পদ্ধতি গ্রহণের ফলে নারী শারীরিকভাবে ভীষণ দুর্বল বোধ করে। নানারকম উপসর্গ দেখা দেয়।

এছাড়া আছে খাবার বড়ি। সাধারণত মাসিকের প্রথম দিন থেকে খাবার বড়ি শুরু করতে হয়। প্রথমে ২১টি সাদা বড়ি ও পরে ৭টি আয়রন ট্যাবলেট খেতে হয়। ২৮টি বড়ি শেষ হলে অন্য পাতা শুরু করতে হয়। প্রতিদিন রাতে খাবারের পর খেতে হয়। একদিন খেতে ভুলে গেলে পরে যখনই মনে হবে তখনই বড়ি খেতে হবে এবং নির্ধারিত দিনের বড়িটিও খেতে হবে। দুইদিন খেতে ভুলে গেলে পরের দুইদিন দুইটি করে বড়ি খেতে হবে। এই বড়ির পাতা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বড়ির সঙ্গে অন্য একটি পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নারী প্রথম আলোকে বলেন, প্রতিদিন এই বড়ি খাওয়া খুবই ঝামেলার। অনেকের যোনিপথের পিচ্ছিলতা কমে যাওয়া, মাসিকের পরিমাণ কম হওয়া এবং সন্তান প্রসবের পর বুকের দুধও কমে যাওয়ার মত ঘটনাগুলো ঘটেছে। এতে তাঁরা সারাক্ষণই এক ধরনের চিন্তার মধ্যে থাকেন।

অনিরাপদ গর্ভধারণের হাত থেকে রক্ষা পেতেও নারীকেই পদ্ধতি ব্যবহার করতে হয়। অনিয়মিত পদ্ধতি হিসেবে নারীরা ইমার্জেন্সি কন্ট্রাসেপটিভ পিল ব্যবহার করেন। অনিরাপদ সহবাসের ৭২ ঘন্টার মধ্যে (যত তাড়াতাড়ি খাওয়া যায় তত দ্রুত ফল পাওয়া যায়) প্রথম এবং দ্বিতীয় ডোজ প্রথম ডোজের ১২ ঘন্টা পর খেতে হবে। চিকিৎসকরা জানান, প্রথম ডোজ খাওয়ার দুই ঘন্টার মধ্যে বমি হলে ঐ ডোজটি আবার খেতে হবে। কারো কারো ক্ষেত্রে স্বল্পস্থায়ী বমি ভাব, মাথা ঝিমঝিম করা, অবসন্নতা, স্তনে ব্যথা বা মাসিকের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

পুরুষদের জন্য আছে মাত্র ২টি: পুরুষদের জন্য স্থায়ী পদ্ধতি এনএসভি (ছুরিবিহীন ভ্যাসেকটমি)। সহজে ও ছোট অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে এ পদ্ধতি নিতে পারে পুরুষরা। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, নির্বাচিত ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র, এনজিও ক্লিনিকে এ সেবা দেওয়া হচ্ছে। অস্ত্রোপচারের দুইদিন পর থেকেই স্বাভাবিক সব কাজ করা যায়। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। অস্ত্রোপচারে কাটা বা সেলাই লাগে না। রক্তপাত নেই বললেই চলে। ৫ থেকে ৭ মিনিট সময় লাগে অস্ত্রোপচারে। ব্যথা থাকে না ও যৌন ক্ষমতা স্বাভাবিক থাকে। অস্ত্রোপচারের তিনমাস পর থেকে কার্যকর হয়।

কনডম পুরুষদের জন্য অস্থায়ী পদ্ধতি। কোনো ধরনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। রোগ প্রতিরোধেও সহায়তা করে। কনডম ব্যবহার করলে যৌনরোগসহ এইচআইভি-এইডস থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। সঠিক ভাবে ব্যবহার না করলে ছিঁড়ে যেতে পারে। ব্যবহারে অনেকে পূর্ণ যৌনতৃপ্তি নাও পেতে পারে। বিভিন্ন কারণে পুরুষের কনডম গ্রহণে অনীহা থাকায় নারীরা এইডসসহ অন্যান্য যৌনবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এইচআইভি-এইডস নিয়ে কাজ করে আশার আলো সোসাইটির হাবিবা আক্তার বলেন, কনডমটাকেই এইচআইভি প্রতিরোধে সবচেয়ে বেশি কার্যকর পদ্ধতি বলে ধরা হয়। কিন্তু এটার ব্যবহারেই বেশ গাফিলতি দেখা যায়।

পুরুষদের লাভ: গত নভেম্বরে প্রকাশিত জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন (বাই চয়েস, নট বাই চান্স-ফ্যামেলি প্ল্যানিং, হিউম্যান রাইটস এন্ড ডেভেলপমেন্ট) ২০১২ প্রতিবেদনটি বলছে, সন্তান জন্মদানে বিরতি দিলে পুরুষদেরও শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে অগ্রগতি হয়। বিবাহোত্তর বা বিবাহ বহির্ভুত অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণের কারণে একজন নারীর পাশাপাশি একজন পুরুষও বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হন। অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণের কারণে দাম্পত্য জীবনে সমস্যা, পারিবারিক আয় কমে যাওয়া এবং শিশুদের বিকাশ বা উন্নয়নের পথে ব্যাঘাত ঘটার যে সমস্যাগুলো নারীরা ভোগ করেন, পুরুষরাও একই ধরনের সমস্যায় পড়েন।

ফরিদা আখতার আরও বলেন, ১৯৯৪ সালে আন্তর্জাতিক জনসংখ্যা উন্নয়ন সম্মেলনে (আইসিপিডি) নারী সংগঠনগুলোর দাবি ছিল প্রজনন স্বাস্থ্যের পুরো বিষয়টা নারীরই হবে। এইখানেই একটা ফারাক ঢুকে গেছে। এর মধ্য দিয়ে পুরো দায়ভার নারীর ওপরই চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। পুরুষরা তাদের ভবিষ্যত পথটা সুগম রাখতে চায় বলেই জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিতে অনুৎসাহিত বোধ করে, ঠিক তেমনি এই পদ্ধতি ব্যবহার করে একজন নারী তার ভবিষ্যত সেভাবেই অন্ধকারাচ্ছন্ন করে দিচ্ছে। সংস্কৃতিগতভাবে এই মনোভাবের পরিবর্তন ছাড়া এর থেকে মুক্তি আসবে না মনে করছেন ফরিদ আখতার।

শেয়ার করুন:
  • 75
  •  
  •  
  •  
  •  
    75
    Shares
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.